ExploreBangladesh
English
ঘোরার জায়গা

ঝাঁপা বাঁওড়

Jhanpa Baor

মণিরামপুরের লম্বা বাঁওড়। গ্রামের মানুষের বানানো ভাসমান সেতু আর নৌকাবাইচের জন্য পরিচিত।

এক নজরে

কোথায়
যশোর জেলা, খুলনা বিভাগ
ঢাকা থেকে
যশোর পর্যন্ত প্রায় ১৮০ কিলোমিটার, বাসে বা গাড়িতে ৫–৬ ঘণ্টা
ভালো সময়
বর্ষা (জুন–জুলাই), শরৎ (আগস্ট–সেপ্টেম্বর) আর শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি)
ঘুরতে লাগে
মোটামুটি ২ ঘণ্টা

সময় আর খরচ আমাদের প্ল্যানার আর সংগ্রহ করা দামের হিসাব। যাওয়ার আগে একবার মিলিয়ে নিন।

ঝাঁপা বাঁওড়

প্রতীকী ছবি: ছবিটা যশোর জেলার, ঠিক এই জায়গার নয়। আপনার তোলা ছবি আছে? আমাদের জানান →

ঝাঁপা বাঁওড়কে অনেকে রাজগঞ্জ বাঁওড়ও বলেন। পুরোনো নদীর বাঁক আটকে তৈরি হওয়া ঘোড়ার খুরের মতো লম্বা এই জলাশয় মণিরামপুর উপজেলায়। উপজেলার সবচেয়ে পরিচিত দেখার জায়গা এটাই। গ্রামের লোকজন সারি সারি ড্রামের ওপর বাঁওড়ের এপার‑ওপার একটা ভাসমান সেতু বানিয়েছেন। পানির ওপর দিয়ে সেই সেতুতে হাঁটতেই পরিবার নিয়ে লোকজন আসে। বাঁওড়ে নৌকাবাইচও হয়। বিকেলে পানির ওপর রোদ নরম হয়ে এলে জায়গাটা সবচেয়ে সুন্দর লাগে।

কীভাবে যাবেন

যশোর থেকে বাসে মণিরামপুর, পৌনে এক ঘণ্টার মতো। সেখান থেকে ইজিবাইকে রাজগঞ্জ বাজার হয়ে ঝাঁপা গ্রাম।

জেনে রাখুন

ভাসমান সেতু পায়ের নিচে দোলে। বাচ্চাদের হাত ধরে রাখুন, ভিড় বা জোরে বাতাস থাকলে সেতুতে উঠবেন না। নৌকাবাইচ কবে হবে, স্থানীয়দের কাছে জেনে নিন।

সাধারণ কিছু প্রশ্ন

ঝাঁপা বাঁওড় কোথায়?

ঝাঁপা বাঁওড় যশোর জেলায়, খুলনা বিভাগে। ঢাকা থেকে যশোর সড়কপথে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার।

ঢাকা থেকে ঝাঁপা বাঁওড় কীভাবে যাবেন?

আগে যশোর পৌঁছান, ঢাকা থেকে বাসে বা গাড়িতে মোটামুটি ৫–৬ ঘণ্টা। এরপর: যশোর থেকে বাসে মণিরামপুর, পৌনে এক ঘণ্টার মতো। সেখান থেকে ইজিবাইকে রাজগঞ্জ বাজার হয়ে ঝাঁপা গ্রাম।

ঝাঁপা বাঁওড় যাওয়ার ভালো সময় কখন?

যাওয়ার ভালো সময় বর্ষা (জুন–জুলাই), শরৎ (আগস্ট–সেপ্টেম্বর) আর শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি)। ঘুরে দেখতে মোটামুটি ২ ঘণ্টা লাগে।