
সিরাজগঞ্জ Sirajganj
যমুনার পাড়, রবীন্দ্রনাথের কাছারি আর তাঁতের খটখট
সিরাজগঞ্জ বিশাল যমুনার পশ্চিম পাড়ে। এখানেই নদীর ওপর দিয়ে গেছে যমুনা সেতু। এই জেলার গ্রামগুলো দেশের সবচেয়ে বড় তাঁতপল্লিগুলোর মধ্যে পড়ে। শাহজাদপুরে বসে একসময় রবীন্দ্রনাথ তাঁর জমিদারি দেখতেন। আর এখানকার গোয়ালপাড়ার দুধে তৈরি ঘি আর মিষ্টির নাম আশপাশের সব জেলায় চেনে।
- যমুনা সেতু
- তাঁতশিল্প
- শাহজাদপুর কাছারিবাড়ি
- এনায়েতপুরের পানতোয়া
- দুধ আর ঘি
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা যমুনা সেতু
Jamuna Bridgeবহু ধারায় ভাগ হওয়া যমুনার ওপর প্রায় ৫ কিলোমিটার লম্বা সেতু। উত্তর আর পশ্চিমের জেলাগুলোকে ঢাকার সঙ্গে জুড়েছে এটাই।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা হার্ড পয়েন্ট
Hard Point Riverfrontসিরাজগঞ্জ শহরে পাথরে বাঁধানো যমুনার বাঁক। সূর্য ডোবার সময় শহরের মানুষ এখানে এসে বসে।
ঘোরার জায়গা রবীন্দ্র কাছারিবাড়ি, শাহজাদপুর
Rabindra Kachharibari, Shahzadpurজমিদারির কাজে এসে রবীন্দ্রনাথ যে কাছারিবাড়িতে থাকতেন আর লিখতেন।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা ইলিয়ট ব্রিজ (বড়পুল)
Elliott Bridge (Boropool)১৮৯০‑এর দশকের থামবিহীন ইস্পাতের খিলান সেতু। সিরাজগঞ্জ শহরের সবচেয়ে প্রিয় চিহ্ন।
ঘোরার জায়গা শাহজাদপুর দরগাহ মসজিদ
Shahzadpur Dargah Mosqueহুরাসাগরের পাড়ে পনেরো গম্বুজের পুরোনো মসজিদ, পাশেই মখদুম শাহদৌলার মাজার।
ঘোরার জায়গা যমুনা সেতু পশ্চিম পাড় ইকোপার্ক
Jamuna Bridge West Eco Parkযমুনা সেতুর পশ্চিম মাথায় গাছে ঢাকা বড় পার্ক। হাঁটতে হাঁটতে নদী আর সেতু দেখা যায়।
খাবার
প্রতীকী ছবি খাবার সিরাজগঞ্জের পানতোয়া
Sirajganj Pantuaগাঢ় বাদামি রঙের রসে ডোবা ভাজা মিষ্টি। সিরাজগঞ্জের এই মিষ্টির গল্প এনায়েতপুর গ্রামকে ঘিরে।
খাবার সিরাজগঞ্জের দুধ, ঘি ও দই
Milk, Ghee and Doi of the Dairy Beltশাহজাদপুর আর উল্লাপাড়ার গোচারণ মাঠের টাটকা দুধ, ঘি আর দই।
খাবার মহিষলুটির চলনবিলের শুঁটকি
Chalan Beel Shutki at Mohishlutiচলনবিলের দেশি মাছের রোদে শুকানো শুঁটকি। তাড়াশের মহিষলুটি মাছের আড়তের আশপাশে বাছাই আর বিক্রি হয়।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৮০০–২,০০০
- ভালো হোটেল
- ৳২,০০০–৪,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: সিরাজগঞ্জের হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া, নওগাঁ, নেত্রকোনা, গাইবান্ধার মতো জেলা শহরের পাওয়া দাম আর পর্যটন মোটেলের ভাড়া দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৮০০–২,৬৫০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।
চেখে দেখুন
- সিরাজগঞ্জের পানতোয়া এনায়েতপুর আর সিরাজগঞ্জ শহরের মিষ্টির দোকান কেজিপ্রতি মোটামুটি ৩০০–৪৫০ টাকা
- সিরাজগঞ্জের দুধ, ঘি ও দই শাহজাদপুর আর উল্লাপাড়ার দুধ‑ঘি ও মিষ্টির দোকান ঘি কেজিপ্রতি মোটামুটি ১,৪০০–১,৮০০ টাকা
- মহিষলুটির চলনবিলের শুঁটকি অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মহিষলুটি মাছের আড়তের আশপাশের চাতালে
দামগুলো কোথা থেকে
তথ্য কম: সিরাজগঞ্জের কোনো হোটেল বা দইয়ের দোকানের দাম সূত্রে পাওয়া যায়নি। খাবারের খরচ ধরা হয়েছে উত্তরবঙ্গের ২০২৪-২৫ সালের পাওয়া দাম থেকে, যেমন গাইবান্ধার কাছে ভাত-গরুর মাংস-ভর্তার পুরো প্লেট ১৩০ টাকা, রাজশাহীতে কালাভুনা দিয়ে খাওয়া ১০০-১৫০ টাকা, নওগাঁয় বিরিয়ানি ১৮০-২০০ টাকা।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।



