
টাঙ্গাইল Tangail
তাঁতের শাড়ি, পোড়াবাড়ির চমচম আর মধুপুরের শালবন
টাঙ্গাইলের নাম শুনলেই মানুষের মনে আসে দুটো জিনিস, তাঁতের শাড়ি আর চমচম। তবে জেলাটা এর চেয়ে বড়। এখানে আছে মধুপুরের শালবন, তার ভেতরে গারোদের গ্রাম। আছে কারুকাজ করা জমিদারবাড়ি। আর পশ্চিমের সীমানা ধরে বয়ে গেছে যমুনা।
- টাঙ্গাইল শাড়ি
- পোড়াবাড়ির চমচম
- মধুপুর বন
- মহেড়া জমিদার বাড়ি
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা মহেড়া জমিদার বাড়ি
Mohera Zamindar Bariপুকুর আর সবুজ মাঠ ঘিরে হালকা রঙের কয়েকটা প্রাসাদ। দেশের সবচেয়ে যত্নে রাখা জমিদারবাড়িগুলোর একটা।
ঘোরার জায়গা আতিয়া মসজিদ
Atia Mosqueপোড়ামাটির কারুকাজে মোড়া সতেরো শতকের মসজিদ। একসময় দশ টাকার নোটে এর ছবি ছিল।
ঘোরার জায়গা মধুপুর বন
Madhupur Forestলাল মাটির ওপর পুরনো শালবন। এখানে গারোদের গ্রাম, আর গাছে গাছে মুখপোড়া হনুমান।
ঘোরার জায়গা ২০১ গম্বুজ মসজিদ
201 Dome Mosqueগোপালপুরে ঝিনাই নদীর পাড়ে বিশাল আধুনিক মসজিদ। ২০১টা গম্বুজ, পাশে ১৩৭ মিটার উঁচু মিনার।
ঘোরার জায়গা ধনবাড়ী নবাব প্যালেস ও মসজিদ
Dhanbari Nawab Palace and Mosqueধনবাড়ীতে নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরীর জমিদারি। প্রাসাদ, কারুকাজ করা মসজিদ আর বড় পুকুর।
ঘোরার জায়গা করটিয়া জমিদার বাড়ি
Karatia Zamindar Bariকরটিয়ায় পন্নী জমিদারদের বাড়ি। ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর ভিটা, পাশেই সরকারি সা'দত কলেজ।
খাবার
খাবার পোড়াবাড়ির চমচম
Porabari Chomchomটাঙ্গাইলের নামকরা চমচম। ঘন, লালচে‑বাদামি, ওপরে হালকা আস্তর, ভেতর পর্যন্ত রসে ভরা।
খাবার মধুপুরের আনারস
Madhupur Pineappleমধুপুরের লাল মাটির রসাল আনারস। বর্ষার শুরুতে ভ্যান আর ট্রাক ভরে বিক্রি হয়।
খাবার জামুর্কীর সন্দেশ
Jamurki Sandeshমির্জাপুরের জামুর্কীতে কালিদাসের ছানার সন্দেশ। মহাসড়কের ধারের এই মিষ্টি জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৮০০–২,০০০
- ভালো হোটেল
- ৳২,০০০–৪,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলার ১টি হোটেলের রুম ধরে ভাড়া দেখুন →দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: টাঙ্গাইলের হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া, নওগাঁ, নেত্রকোনা, গাইবান্ধার মতো জেলা শহরের পাওয়া দাম আর পর্যটন মোটেলের ভাড়া দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৭৫০–২,৮০০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (২টি)
- কালীদাস মিষ্টান্ন ভান্ডার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে জামুর্কী, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল শহরের প্রায় ২০ কিমি আগে)
- জামুর্কীর সন্দেশ · ৳৮০০/কেজি
সাধারণ হোটেল ২০২৪ সালের দাম · সূত্র - কাচ্চি ভাই টাঙ্গাইল শহর শাখা
- বাসমতি কাচ্চি · ৳৩৩০/প্লেট
- স্পেশাল খাসির তেহারি · ৳২৭০/প্লেট
- সাদা পোলাও, মুরগির রোস্ট আর বোরহানি · ৳৩২০/প্লেট
- বোরহানি · ৳৮০/গ্লাস
ভালো রেস্টুরেন্ট ২০২৬ সালের দাম · সূত্র
চেখে দেখুন
- পোড়াবাড়ির চমচম টাঙ্গাইল শহরের পাঁচআনি বাজারের মিষ্টির দোকান কেজিপ্রতি আনুমানিক ৩৫০–৫০০ টাকা
- মধুপুরের আনারস জলছত্র বাজার, আর মধুপুরের আশপাশে রাস্তার পাশের দোকান
- জামুর্কীর সন্দেশ মির্জাপুরের জামুর্কীতে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে কালিদাস মিষ্টান্ন ভান্ডার, টাঙ্গাইল শহরের প্রায় ২০ কিলোমিটার আগে কেজি মোটামুটি ৮০০ টাকা (২০২৪ সালের দাম)
দামগুলো কোথা থেকে
এই জেলার আলাদা কোনো খাবারের দামের জরিপ পাইনি। সস্তা হোটেলের হিসাব ঢাকার বাইরের ভাতের হোটেলের খবর থেকে (মাছ বা মাংস দিয়ে ভাত ৮০-১৫০ টাকা, ভাত-ভর্তা-ডালের নাশতা ২০-৫০ টাকা, ২০২৩-২০২৬), আর মাঝারি হিসাব শহরের ভালো রেস্তোরাঁ বা চেইন দোকানের দাম দেখে।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।
এই জেলার হাতের কাজ বা খাবার পাবেন আমাদের দোকানে।




