
গাজীপুর Gazipur
শালবন, কাঁঠালের বাগান আর ভাওয়ালের জমিদারি
ঢাকার ঠিক উত্তরে গাজীপুর। একদিকে হুহু করে বেড়ে ওঠা কারখানার শহর, আরেক দিকে পুরোনো শালবনের টুকরো। এই বন একসময় ছিল ভাওয়ালের জমিদারদের। রাজধানী থেকে সবুজের মধ্যে একটু হাঁপ ছাড়তে চাইলে গাজীপুরই সবচেয়ে সহজ। বনের পথে হাঁটা, সাফারি পার্ক, আর রাস্তার ধারে কাঁঠালের স্তূপ, সবই এখানে পাবেন।
- ভাওয়ালের শালবন
- শ্রীপুরের সাফারি পার্ক
- কাঁঠাল
- টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান
Bhawal National Parkঢাকা থেকে ঘণ্টাখানেকের পথে ছায়াঘেরা শালবন। পিকনিকের জায়গা আর হাঁটার পথ দুটোই আছে।
ঘোরার জায়গা সাফারি পার্ক, শ্রীপুর
Safari Park, Sreepurবিশাল সাফারি পার্ক। বেড়া দেওয়া শালবনে ঘুরে বেড়ায় বাঘ, সিংহ আর হরিণ, আপনি দেখবেন গাড়িতে বসে।
ঘোরার জায়গা ভাওয়াল রাজবাড়ি
Bhawal Rajbariভাওয়াল জমিদারদের লম্বা, থামওয়ালা রাজপ্রাসাদ। বিখ্যাত ভাওয়াল সন্ন্যাসী মামলার গল্প এই বাড়ি ঘিরেই।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা নাগরী গির্জা (সাধু নিকোলাস তোলেন্তিনো গির্জা)
Nagari Church (St. Nicholas of Tolentino)দেশের সবচেয়ে পুরোনো গির্জাগুলোর একটা। ১৬৬৪ সালে পর্তুগিজরা কালীগঞ্জের নাগরীতে এটা গড়ে তোলে।
খাবার
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳১,০০০–২,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳২,৫০০–৮,৬০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- ৳১০,০০০–২৫,০০০
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
ভিড়ের সময়: শুক্র-শনিবার আর সরকারি ছুটিতে রিসোর্টের ভাড়া বেশি; সপ্তাহের মাঝে প্রায়ই ছাড় মেলে।
হোটেলের নাম ও দাম (৩টি)
- সালনা পর্যটন রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট সালনা, গাজীপুর
- নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট রাজবাড়ী এলাকা, শ্রীপুর
- ছুটি রিসোর্ট সুকুন্দি, গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ৮ কিমি
দামগুলো কোথা থেকে
রিসোর্টের দাম সূত্র থেকে: পর্যটনের সালনা রিসোর্ট ২,৫০০-৬,০০০ (২০২৬), দ্য বেস ক্যাম্পের রুম ২,৫০০-৩,৫০০ (২০২৩), নক্ষত্রবাড়ি ৫,৫৬০-৮,৬০০ (২০২৩), ছুটি রিসোর্ট ভ্যাটসহ ১০,১২০-২২,৭৭০ (২০২৩), ড্রিম স্কয়ার ১৫,৫০০-২২,৫০০ (২০২৩)। প্রথম আলোর মে ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে গাজীপুর অঞ্চলের মাঝারি রুম ২,৫০০-১০,০০০ টাকা। শহরের আবাসিক হোটেলের ভাড়া এখনো আনুমানিক।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৯০০–৫,১৫০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (২টি)
- নিরিবিলি (তোতা মিয়ার রেস্তোরাঁ) টোক বাইপাসের পাশে, কাপাসিয়া, ঢাকা-কিশোরগঞ্জ সড়ক
- মাছ বা মাংসের তরকারি · ৳১৮০/প্লেট
- ভাতসহ ১০ পদের ভর্তার প্যাকেজ (২-৫ জনের) · ৳১০০/ফুল
- ভাতসহ ২২ পদের ভর্তার প্যাকেজ (২-৫ জনের) · ৳২০০/ফুল
সাধারণ হোটেল ২০২৩ সালের দাম · সূত্র - কাচ্চি ভাই টঙ্গী, বোর্ড বাজার আর কোনাবাড়ী শাখা, গাজীপুর
- বাসমতি কাচ্চি · ৳৩৩০/প্লেট
- স্পেশাল খাসির তেহারি · ৳২৭০/প্লেট
- সাদা পোলাও, মুরগির রোস্ট আর বোরহানি · ৳৩২০/প্লেট
- বোরহানি · ৳৮০/গ্লাস
ভালো রেস্টুরেন্ট ২০২৬ সালের দাম · সূত্র
চেখে দেখুন
- গাজীপুরের কাঁঠাল কাপাসিয়া আর শ্রীপুরের রাস্তার ধারের দোকান ও হাটে আকারভেদে একেকটা আনুমানিক ১০০–৪০০ টাকা
- কাপাসিয়ার লিচু কাপাসিয়া আর শ্রীপুরের বাগানঘেরা রাস্তা ও বাজারে শ' হিসেবে বিক্রি হয়। দাম জাত আর আকারের ওপর নির্ভর করে
দামগুলো কোথা থেকে
এই জেলার আলাদা কোনো খাবারের দামের জরিপ পাইনি। সস্তা হোটেলের হিসাব ঢাকার বাইরের ভাতের হোটেলের খবর থেকে (মাছ বা মাংস দিয়ে ভাত ৮০-১৫০ টাকা, ভাত-ভর্তা-ডালের নাশতা ২০-৫০ টাকা, ২০২৩-২০২৬), আর মাঝারি হিসাব শহরের ভালো রেস্তোরাঁ বা চেইন দোকানের দাম দেখে। গাজীপুর ঢাকার লাগোয়া, তাই দাম ঢাকার শহরতলির কাছাকাছি।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।



