যমুনা সেতু
Jamuna Bridge
বহু ধারায় ভাগ হওয়া যমুনার ওপর প্রায় ৫ কিলোমিটার লম্বা সেতু। উত্তর আর পশ্চিমের জেলাগুলোকে ঢাকার সঙ্গে জুড়েছে এটাই।
এক নজরে
- কোথায়
- সিরাজগঞ্জ জেলা, রাজশাহী বিভাগ
- ঢাকা থেকে
- সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ১২৫ কিলোমিটার, বাসে বা গাড়িতে ৩–৫ ঘণ্টা
- ভালো সময়
- শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি), হেমন্ত (অক্টোবর–নভেম্বর) আর বসন্ত (ফেব্রুয়ারি–মার্চ)
- ঘুরতে লাগে
- মোটামুটি ১ ঘণ্টা
সময় আর খরচ আমাদের প্ল্যানার আর সংগ্রহ করা দামের হিসাব। যাওয়ার আগে একবার মিলিয়ে নিন।
সেতুটা চালু হয় ১৯৯৮ সালে। অনেক বছর লোকে একে বঙ্গবন্ধু সেতু নামে চিনত। একই সেতুতে সড়ক আর রেলপথ, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে লম্বা সেতুগুলোর একটা। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থেকে যমুনা পেরিয়ে এটা নেমেছে সিরাজগঞ্জে। এর আগে নদী পার হতে ফেরিই ছিল ভরসা, সেই দিন এই সেতু শেষ করেছে। পরে পাশেই আলাদা একটা রেলসেতুও বানানো হয়েছে। পশ্চিম মাথার সংযোগ সড়ক আর নদীর পাড় থেকে চোখে পড়ে বিরাট চওড়া যমুনা, আর তার মাঝে জেগে থাকা বালুর চর, যেগুলো বছর বছর জায়গা বদলায়।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গের যেকোনো বাস এই সেতু দিয়েই যায়। পশ্চিম মাথার সংযোগ সড়ক সিরাজগঞ্জ সদরের সয়দাবাদের কাছে।
জেনে রাখুন
সেতুর ওপর থামা নিষেধ। পশ্চিম মাথার কাছে নদীর পাড়ের পার্কগুলো থেকে ভালো দেখা যায়।
সাধারণ কিছু প্রশ্ন
যমুনা সেতু কোথায়?
যমুনা সেতু সিরাজগঞ্জ জেলায়, রাজশাহী বিভাগে। ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ সড়কপথে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার।
ঢাকা থেকে যমুনা সেতু কীভাবে যাবেন?
আগে সিরাজগঞ্জ পৌঁছান, ঢাকা থেকে বাসে বা গাড়িতে মোটামুটি ৩–৫ ঘণ্টা। এরপর: ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গের যেকোনো বাস এই সেতু দিয়েই যায়। পশ্চিম মাথার সংযোগ সড়ক সিরাজগঞ্জ সদরের সয়দাবাদের কাছে।
যমুনা সেতু যাওয়ার ভালো সময় কখন?
যাওয়ার ভালো সময় শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি), হেমন্ত (অক্টোবর–নভেম্বর) আর বসন্ত (ফেব্রুয়ারি–মার্চ)। ঘুরে দেখতে মোটামুটি ১ ঘণ্টা লাগে।

