
নেত্রকোনা Netrokona
সাদামাটির পাহাড়, সোমেশ্বরী আর হাওর
নেত্রকোনার উত্তরে ভারত সীমান্তে গারো পাহাড়, দক্ষিণে বিশাল হাওর। উত্তরের বিরিশিরি আর দুর্গাপুরে স্বচ্ছ পানির নদী, সাদামাটির টিলা, আর গারো ও হাজংদের জীবন। দক্ষিণে প্রতি বর্ষায় হাওরগুলো এমন ফুলেফেঁপে ওঠে যে কূল‑কিনারা দেখা যায় না।
- বিরিশিরি আর সোমেশ্বরী নদী
- বিজয়পুরের সাদামাটির পাহাড়
- বালিশ মিষ্টি
- বাউল গান
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা বিরিশিরি ও সোমেশ্বরী নদী
Birisiri and the Someshwari Riverগারো পাহাড় থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ, বালুময় নদী। দিগন্তে মেঘালয়ের পাহাড়।
ঘোরার জায়গা বিজয়পুর সাদামাটির পাহাড়
Bijoypur China-Clay Hillsখুঁড়ে খুঁড়ে কাটা সাদা আর গোলাপি মাটির টিলা, নিচের গর্তে নীলচে‑সবুজ পানি।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা ডিঙ্গাপোতা হাওর
Dingapota Haorমোহনগঞ্জের বিশাল মৌসুমি হাওর। বর্ষায় গ্রামগুলো দ্বীপ হয়ে যায়।
ঘোরার জায়গা চন্দ্রডিঙ্গা পাহাড়
Chandradinga Hillকলমাকান্দার সীমান্তে নৌকার মতো দেখতে একটা পাহাড়। লোকমুখে চাঁদ সওদাগরের ডুবে যাওয়া ডিঙার গল্প জড়িয়ে আছে।
ঘোরার জায়গা উচিতপুর হাওর
Uchitpur Haorমদনের বিশাল হাওর। বর্ষায় সাগরের মতো হয়ে যায়, বালুর পাড়ে দাঁড়ালে সৈকতের মতো লাগে।
খাবার
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳১,০০০–২,০০০
- ভালো হোটেল
- ৳২,৫০০–৪,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
হোটেলের নাম ও দাম (১টি)
- আদর্শনগর পর্যটন কেন্দ্র মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা
দামগুলো কোথা থেকে
সস্তা হোটেলের দাম ডেইলি স্টারের নভেম্বর ২০২৩ সালের লেখা থেকে (নেত্রকোনা শহরের হোটেল সৌরভ, হোটেল শাহজাহান, ইমরান ইন্টারন্যাশনালের মতো হোটেলে দিনে ১–২ হাজার টাকা; উন্নতমানের হোটেল নেই); মাঝারি দাম মোহনগঞ্জের আদর্শনগর পর্যটন কেন্দ্রের ২০২৬ সালের ভাড়া থেকে।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৮৫০–২,৭০০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
এই জেলার রেস্টুরেন্টের দাম আমাদের হাতে নেই।
চেখে দেখুন
- বালিশ মিষ্টি নেত্রকোনা শহরের গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভান্ডারে
- হাওরের মাছ ও শুঁটকি মোহনগঞ্জ বাজার আর আশপাশের স্থানীয় হোটেলে
দামগুলো কোথা থেকে
এই জেলার আলাদা কোনো খাবারের দামের জরিপ পাইনি। সস্তা হোটেলের হিসাব ঢাকার বাইরের ভাতের হোটেলের খবর থেকে (মাছ বা মাংস দিয়ে ভাত ৮০-১৫০ টাকা, ভাত-ভর্তা-ডালের নাশতা ২০-৫০ টাকা, ২০২৩-২০২৬), আর মাঝারি হিসাব শহরের ভালো রেস্তোরাঁ বা চেইন দোকানের দাম দেখে। নেত্রকোনার কোনো রেস্তোরাঁ বা মিষ্টির দোকানের দামসহ তালিকা পাইনি, শুধু ২০১৬ সালের একটা চায়ের দোকানের দাম পেয়েছি।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।



