ExploreBangladesh
English

কিশোরগঞ্জ Kishoreganj

হাওরের রাস্তা, বর্ষার সাগর আর শোলাকিয়ার ঈদ

ছবি: Frameofashik · CC BY-SA 4.0

কিশোরগঞ্জের পুব দিকটা পুরোপুরি হাওরের দেশ। বর্ষা নামলে বিশাল হাওর ফুলে‑ফেঁপে সাগরের মতো হয়ে যায়, মাঝে মাঝে দ্বীপের মতো ভেসে থাকে গ্রাম। দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত হয় এই জেলার শোলাকিয়ায়। আর এখানকার মাটিতেই জন্মেছিলেন মধ্যযুগের কবি চন্দ্রাবতী।

কীসের জন্য বিখ্যাত
  • নিকলী ও মিঠামইনের হাওর
  • শোলাকিয়া ঈদগাহ
  • পাগলা মসজিদ
  • হাওরের মাছ আর হাঁস

ঘোরার জায়গা

নিকলী হাওর ঘোরার জায়গা

নিকলী হাওর

Nikli Haor

বেড়িবাঁধের রাস্তা চলে গেছে হাওরের ভেতরে। বর্ষায় চারপাশ শুধু পানি আর পানি।

ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়কপ্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা

ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম সড়ক

Itna–Mithamoin–Austagram Road

হাওরের ঠিক মাঝখান দিয়ে বানানো বারো মাস চলার রাস্তা। দুই পাশে যতদূর চোখ যায়, পানি।

পাগলা মসজিদ ঘোরার জায়গা

পাগলা মসজিদ

Pagla Mosque

কিশোরগঞ্জ শহরে নদীর পাড়ের মসজিদ। এর দানবাক্সে কোটি কোটি টাকা জমে, সে জন্যই বেশি পরিচিত।

এগারসিন্দুর: শাহ মাহমুদ মসজিদ ও ঈসা খাঁর দুর্গ ঘোরার জায়গা

এগারসিন্দুর: শাহ মাহমুদ মসজিদ ও ঈসা খাঁর দুর্গ

Egarosindur: Shah Mahmud Mosque and Isa Khan's Fort Site

পুরোনো ব্রহ্মপুত্রের পাড়ের ঐতিহাসিক গ্রাম। মোগল আমলের মসজিদ আর বারো ভূঁইয়াদের এক দুর্গের জায়গা।

কুতুব শাহ মসজিদ, অষ্টগ্রাম ঘোরার জায়গা

কুতুব শাহ মসজিদ, অষ্টগ্রাম

Qutub Shah Mosque, Austagram

গভীর হাওরের মাঝে ষোলো শতকের পাঁচ গম্বুজওয়ালা ইটের মসজিদ।

শহীদী মসজিদ, কিশোরগঞ্জপ্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা

শহীদী মসজিদ, কিশোরগঞ্জ

Shahidi Mosque, Kishoreganj

কিশোরগঞ্জ শহরের মাঝখানে তিনতলা মসজিদ, সঙ্গে আকাশছোঁয়া মিনার। শোলাকিয়া ঈদগাহের কাছেই।

খাবার

অচেনা জায়গা

ঐতিহ্য

আনুমানিক রুমপ্রতি এক রাতের ভাড়া
সাধারণ হোটেল
৳৭০০–১,৮০০
ভালো হোটেল
৳১,৮০০–৪,০০০
অভিজাত রিসোর্ট
৳৮,০০০–১৫,০০০

এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।

দামগুলো কোথা থেকে

কিশোরগঞ্জ শহরের হোটেল আর নিকলীর গেস্টহাউসের ভাড়া আনুমানিক (নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি); দামি স্তর মিঠামইনের প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট ধরে, ঢাকা পোস্টের খবরে যার রাতের ভাড়া প্রায় ৮ হাজার টাকা থেকে শুরু (পুরোপুরি যাচাই করা যায়নি)।

দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।

কোথায় খাবেন, খরচ কত

আনুমানিক জনপ্রতি দিনে খাওয়ার খরচ
সাধারণ হোটেল ৳৩৬০
নাশতা ৳৬০দুপুর ৳১২০রাত ৳১৩০চা‑নাশতা ৳৫০
ভালো রেস্টুরেন্ট ৳৭৫০
নাশতা ৳১২০দুপুর ৳২৫০রাত ৳২৮০চা‑নাশতা ৳১০০
অভিজাত তথ্য নেই

এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।

এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৭০০–২,৭৫০

কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।

রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (২টি)
  • আকাশ সুইটমিট কাস্তুল বাজার, অষ্টগ্রাম
    • গরম রসমালাই, ছোট প্লেট (বিকেলে) · ৳৫০/প্লেট
    সাধারণ হোটেল ২০২৩ সালের দাম · সূত্র
  • কাচ্চি ভাই কিশোরগঞ্জ শহর শাখা
    • বাসমতি কাচ্চি · ৳৩৩০/প্লেট
    • স্পেশাল খাসির তেহারি · ৳২৭০/প্লেট
    • সাদা পোলাও, মুরগির রোস্ট আর বোরহানি · ৳৩২০/প্লেট
    • বোরহানি · ৳৮০/গ্লাস
    ভালো রেস্টুরেন্ট ২০২৬ সালের দাম · সূত্র

চেখে দেখুন

  • হাওরের মাছ নিকলী বাজার আর হাওরের ঘাটের স্থানীয় খাবারের দোকানে
  • হাওরের হাঁসের মাংস নিকলী, ইটনা আর মিঠামইনের বাজারের খাবারের দোকানে
  • অষ্টগ্রামের পনির অষ্টগ্রামের পনির কারিগরদের কাছে, বিশেষ করে দত্তপাড়ার দিকে; কিশোরগঞ্জ শহরেও পাওয়া যায় কেজি মোটামুটি ৭০০–১,০০০ টাকা
দামগুলো কোথা থেকে

এই জেলার আলাদা কোনো খাবারের দামের জরিপ পাইনি। সস্তা হোটেলের হিসাব ঢাকার বাইরের ভাতের হোটেলের খবর থেকে (মাছ বা মাংস দিয়ে ভাত ৮০-১৫০ টাকা, ভাত-ভর্তা-ডালের নাশতা ২০-৫০ টাকা, ২০২৩-২০২৬), আর মাঝারি হিসাব শহরের ভালো রেস্তোরাঁ বা চেইন দোকানের দাম দেখে। হাওরে বেড়াতে গেলে সাধারণত নিকলীর বাজারের হোটেলে বা ভাড়া নেওয়া নৌকায় খাওয়া হয়, খরচ সস্তা হোটেলের মতোই।

দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।

কাছের জেলা