
শরীয়তপুর Shariatpur
পদ্মা সেতু যেখানে নামে, মেঘনা যেখানে মেশে
শরীয়তপুর পদ্মা আর মেঘনার মাঝখানের নিচু, নদীঘেরা জেলা। নামটা এসেছে সংস্কারক হাজী শরীয়তউল্লাহর নাম থেকে। পদ্মা সেতু এখন জাজিরায় এসে নেমেছে। তাই এখানকার পুরনো মন্দির, দরবার আর নদীপাড়ের গ্রামগুলো ঢাকা থেকে এক দিনেই ঘুরে আসা যায়।
- জাজিরায় পদ্মা সেতু
- ধানুকা মনসা বাড়ি
- ইলিশ
- পালং বাজারের রসগোল্লা
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা পদ্মা সেতু, জাজিরা প্রান্ত
Padma Bridge Viewpoint, Jajiraপদ্মা সেতুর দক্ষিণ মাথা। নদীর পাড়ে দাঁড়ালে পানির ওপর দিয়ে বহু দূর পর্যন্ত সেতুটা চোখে পড়ে।
ঘোরার জায়গা ধানুকা মনসা বাড়ি
Dhanuka Manasa Bariকয়েকশ বছরের পুরনো হিন্দু বাড়ি। ভেতরে কালী, দুর্গা আর মনসা মন্দির, সঙ্গে পুরনো সংস্কৃত টোল।
ঘোরার জায়গা সুরেশ্বর দরবার শরীফ
Sureshwar Darbar Sharifনড়িয়ার নামকরা সুফি দরবার। বার্ষিক ওরসে ভক্তের ভিড় আর গানে জায়গাটা জমে ওঠে।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা বুড়িরহাট জামে মসজিদ
Burirhat Jame Mosqueশরীয়তপুর–চাঁদপুর সড়কের পাশে শতবর্ষী কারুকাজের মসজিদ। স্থানীয়রা বলেন 'ঐতিহাসিক জামে মসজিদ'।
খাবার
খাবার পালং বাজারের রসগোল্লা
Palong Bazar Rasgollaপালং বাজারের এক মিষ্টির দোকানের নরম রসগোল্লা। দোকানটা চলছে ১৯৫০ সাল থেকে।
প্রতীকী ছবি খাবার বিবিখানা পিঠা
Bibikhana Pithaচালের গুঁড়া, দুধ, ডিম আর গুড়ে বানানো ভারী পিঠা। শীতকালে শরীয়তপুরের ঘরে ঘরে এর কদর।
খাবার পদ্মা-মেঘনার ইলিশ
Padma and Meghna Hilsaশরীয়তপুরের নদী থেকে সদ্য তোলা ইলিশ। ভাজা, ঝোল বা সরষে‑ভাপা, যেভাবে খুশি।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৬০০–১,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳১,৫০০–৩,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- তথ্য নেই
এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
দামগুলো কোথা থেকে
আনুমানিক: শরীয়তপুরের হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া (৫০০–২,০০০), মেহেরপুর (৫০০–২,০০০), নওগাঁর (৫০০–৩,০০০) মতো ছোট জেলা শহরের পাওয়া দাম দেখে ধরা।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৬৫০–২,২০০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (২টি)
- মোল্লা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট নাওডোবা বাসস্ট্যান্ডের কাছে, পদ্মা সেতুর গোড়ায়, জাজিরা
- মাংস-খিচুড়ি · ৳১৪০/ফুল
- মাংস-খিচুড়ি · ৳৭০/হাফ
- স্পেশাল খিচুড়ি পার্সেল · ৳২১০/প্লেট
- গরুর মাংস ভুনা · ৳২০০/প্লেট
সাধারণ হোটেল ২০২৫ সালের দাম · সূত্র - সালাম হোটেল মাছবাজার গলি, নড়িয়া উপজেলা সদর (দুপুর ১টা-বিকেল ৪টা)
- পদ্মার ইলিশ (৩৫০-৪০০ টাকা) · ৳৩৫০/পিস
- পাঙাশ, আইড় বা বোয়াল (৩০০-৩৫০ টাকা) · ৳৩০০/পিস
- নদীর ছোট মাছ (১৫০-২০০ টাকা) · ৳১৫০/প্লেট
- খাসি বা মুরগির মাংস · ৳২০০/পিস
ভালো রেস্টুরেন্ট ২০২৬ সালের দাম · সূত্র
চেখে দেখুন
- পালং বাজারের রসগোল্লা শরীয়তপুর শহরের পালং বাজারের মিষ্টির দোকানগুলো কেজিপ্রতি আনুমানিক ৩৫০ টাকা
- বিবিখানা পিঠা গ্রামের বাড়ির রান্নাঘর আর শীতের পিঠা মেলা
- পদ্মা-মেঘনার ইলিশ নড়িয়া, জাজিরা আর গোসাইরহাটের মাছবাজার ও খাবার হোটেল
দামগুলো কোথা থেকে
এই জেলার আলাদা কোনো খাবারের দামের জরিপ পাইনি। সস্তা হোটেলের হিসাব ঢাকার বাইরের ভাতের হোটেলের খবর থেকে (মাছ বা মাংস দিয়ে ভাত ৮০-১৫০ টাকা, ভাত-ভর্তা-ডালের নাশতা ২০-৫০ টাকা, ২০২৩-২০২৬), আর মাঝারি হিসাব শহরের ভালো রেস্তোরাঁ বা চেইন দোকানের দাম দেখে। নাওডোবায় মোল্লা হোটেলের মাংস-খিচুড়ির ফুল প্লেট ২০২৫ সালে ১৪০ টাকা, মাঝারি দুপুরের হিসাব সেটা ধরে।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।



