ExploreBangladesh
English
ছবি: Amdadul Hasan · CC BY-SA 4.0

ফরিদপুর পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীনের জেলা। তাঁর কবিতায় যে গ্রামবাংলা, সেটা এখানে এখনো চোখে পড়ে। পাটখেত, নদীর ধারের গ্রাম, কুমার নদী, আর একটু উত্তরে বিশাল পদ্মা। পাশাপাশি আছে মধ্যযুগের মসজিদ, আর মোগল আমলের এক অদ্ভুত সুন্দর মন্দিরচূড়া।

কীসের জন্য বিখ্যাত
  • পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীন
  • মথুরাপুর দেউল
  • পাট
  • মালাইকারি মিষ্টি

ঘোরার জায়গা

পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের বাড়ি ঘোরার জায়গা

পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের বাড়ি

Jasimuddin's House and Museum

কুমার নদীর ধারে কবির বাড়ি। পাশে ছোট একটা জাদুঘর, আর ডালিমগাছের তলায় কবির কবর।

মথুরাপুর দেউল ঘোরার জায়গা

মথুরাপুর দেউল

Mathurapur Deul

মধুখালীর খোলা মাঠে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো খাঁজকাটা ইটের মন্দিরচূড়া। গায়ে পোড়ামাটির কাজ।

সাতৈর মসজিদ ঘোরার জায়গা

সাতৈর মসজিদ

Satoir Mosque

বোয়ালমারীর সুলতানি আমলের গম্বুজওয়ালা মসজিদ। জুড়ে আছে আলাউদ্দিন হোসেন শাহের আমলের নাম।

শ্রীঅঙ্গন (প্রভু জগদ্বন্ধুর আশ্রম) ঘোরার জায়গা

শ্রীঅঙ্গন (প্রভু জগদ্বন্ধুর আশ্রম)

Sri Angan (Prabhu Jagadbandhu's Ashram)

ফরিদপুর শহরে প্রভু জগদ্বন্ধুর আশ্রম। এখানেই তিনি থাকতেন, ধর্ম প্রচার করতেন। ১৯৭১ সালে এখানে আটজন সাধুকে হত্যা করা হয়।

খাবার

অচেনা জায়গা

ঐতিহ্য

আনুমানিক রুমপ্রতি এক রাতের ভাড়া
সাধারণ হোটেল
৳৮০০–২,০০০
ভালো হোটেল
৳২,০০০–৪,০০০
অভিজাত রিসোর্ট
তথ্য নেই

এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।

দামগুলো কোথা থেকে

আনুমানিক: ফরিদপুরের হোটেল ভাড়ার নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি; কুষ্টিয়া, নওগাঁ, নেত্রকোনা, গাইবান্ধার মতো জেলা শহরের পাওয়া দাম আর পর্যটন মোটেলের ভাড়া দেখে ধরা।

দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।

কোথায় খাবেন, খরচ কত

আনুমানিক জনপ্রতি দিনে খাওয়ার খরচ
সাধারণ হোটেল ৳৩৬০
নাশতা ৳৬০দুপুর ৳১২০রাত ৳১৩০চা‑নাশতা ৳৫০
ভালো রেস্টুরেন্ট ৳৭৮০
নাশতা ৳১২০দুপুর ৳২৬০রাত ৳৩০০চা‑নাশতা ৳১০০
অভিজাত তথ্য নেই

এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।

এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৭৫০–২,৮০০

কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।

রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (৩টি)
  • গোবিন্দ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার চিতারবাজার মেইন রোড, বোয়ালমারী (কনদারদিয়া গ্রামে আরেকটা দোকান)
    • ইলিশ পেটি মিষ্টি · ৳৪০/পিস
    • ইলিশ পেটি মিষ্টি · ৳৭৫০/কেজি
    সাধারণ হোটেল ২০২৬ সালের দাম · সূত্র
  • মামুনের চটপটি ফরিদপুর শহর
    • চটপটি (পার্সেলে ১০০ টাকা) · ৳৮০/বাটি
    সাধারণ হোটেল ২০২৩ সালের দাম · সূত্র
  • কাচ্চি ভাই ফরিদপুর শহর শাখা
    • বাসমতি কাচ্চি · ৳৩৩০/প্লেট
    • স্পেশাল খাসির তেহারি · ৳২৭০/প্লেট
    • সাদা পোলাও, মুরগির রোস্ট আর বোরহানি · ৳৩২০/প্লেট
    • বোরহানি · ৳৮০/গ্লাস
    ভালো রেস্টুরেন্ট ২০২৬ সালের দাম · সূত্র

চেখে দেখুন

  • ফরিদপুরের মালাইকারি ফরিদপুর শহরের মাঝখানের পুরোনো, নামকরা মিষ্টির দোকানে
  • পদ্মার ইলিশ ফরিদপুর শহরের মাছের বাজার আর স্থানীয় ভাতের হোটেলে
  • বোয়ালমারীর ইলিশ পেটি মিষ্টি বোয়ালমারীর চিতারবাজার মেইন রোডে গোবিন্দ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, আর প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে কনদারদিয়া গ্রামে এর শাখা কেজি প্রায় ৭৫০ টাকা, পিস ৪০ টাকা (২০২৬ সালের দাম)
  • ফরিদপুরের খেজুরের গুড় ফরিদপুর সদরের বিষ্ণুপুরের মতো গ্রামের গাছিদের কাছে, আর শীতে ফরিদপুর শহরের হাট ও মিষ্টির দোকানে খাঁটি গুড় কেজি মোটামুটি ৩০০–৬০০ টাকা; এর চেয়ে অনেক কম দামের গুড়ে সাধারণত চিনি মেশানো থাকে
দামগুলো কোথা থেকে

এই জেলার আলাদা কোনো খাবারের দামের জরিপ পাইনি। সস্তা হোটেলের হিসাব ঢাকার বাইরের ভাতের হোটেলের খবর থেকে (মাছ বা মাংস দিয়ে ভাত ৮০-১৫০ টাকা, ভাত-ভর্তা-ডালের নাশতা ২০-৫০ টাকা, ২০২৩-২০২৬), আর মাঝারি হিসাব শহরের ভালো রেস্তোরাঁ বা চেইন দোকানের দাম দেখে।

দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।

কাছের জেলা