
বরিশাল Barishal
লঞ্চ, ইলিশ আর শাপলার নদীর শহর
নদীর দেশের রাজধানী বরিশাল। ঢাকা থেকে রাতের লঞ্চে মেঘনা আর কীর্তনখোলা ধরে ভোরবেলা এসে নামা, এটাই বরিশালে আসার চেনা পথ। শহরের আশপাশে আছে বিশাল এক আধুনিক মসজিদ, রাজার আমলের পুরোনো দিঘি আর শাপলায় লাল হয়ে থাকা বিল। এখানকার ইলিশ আর গৌরনদীর দইয়ের নাম সারা দেশের মানুষ জানে।
- রাতের লঞ্চ যাত্রা
- গুঠিয়া মসজিদ
- দুর্গাসাগর
- ইলিশ
- গৌরনদীর দই
ঘোরার জায়গা
ঘোরার জায়গা গুঠিয়া মসজিদ
Guthia Mosqueউজিরপুরের কাছে বড় আধুনিক মসজিদ, সামনে টলটলে পুকুর, বাগান আর উঁচু মিনার।
ঘোরার জায়গা দুর্গাসাগর দিঘী
Durgasagar Dighiআঠারো শতকের বিশাল দিঘি, মাঝখানে গাছে ঢাকা দ্বীপ। শীতের পাখি আর নিরিবিলি হাঁটার জায়গা।
ঘোরার জায়গা অক্সফোর্ড মিশন চার্চ
Oxford Mission Churchলাল ইটের বড় অ্যাংলিকান গির্জা, উঁচু ঘণ্টাঘর, চারপাশে গাছে ঘেরা শান্ত চত্বর।
ঘোরার জায়গা বিবির পুকুর
Bibir Pukurবরিশাল শহরের মাঝখানে পুরোনো পুকুর, চারপাশে হাঁটার পথ আর সন্ধ্যার খাবারের দোকান।
ঘোরার জায়গা মাহিলাড়া সরকার মঠ
Mahilara Sarkar Math (leaning temple)গৌরনদীর আঠারো শতকের ইটের মঠ। চূড়াটা এক দিকে স্পষ্ট হেলে আছে, তাই অনেকে বলেন বরিশালের হেলানো মিনার।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা শেরে বাংলা স্মৃতি জাদুঘর, চাখার
Sher-e-Bangla Memorial Museum, Chakharচাখারে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের পৈতৃক ভিটায় ছোট একটা জাদুঘর। তাঁর আসবাব, ছবি আর কিছু প্রত্নবস্তু রাখা আছে।
ঘোরার জায়গা কসবা মসজিদ, গৌরনদী
Qasba Mosque, Gournadiঢাকা‑বরিশাল মহাসড়কের পাশে সুলতানি আমলের নয় গম্বুজ মসজিদ। গড়ন অনেকটা বাগেরহাটের নয় গম্বুজ মসজিদের মতো।
প্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা সুগন্ধা শক্তিপীঠ, শিকারপুর
Sugandha Shaktipeeth, Shikarpurশক্তিপীঠগুলোর একটা। বরিশাল থেকে দশ মাইলের মতো উত্তরে শিকারপুর গ্রামে দেবী সুনন্দার মন্দির।
খাবার
খাবার বরিশালের ইলিশ
Barishal ilishদক্ষিণের নদীর রুপালি ইলিশ, তেলে ভরা আর সুগন্ধি। সরষে বাটায় বা ভাজায় সবচেয়ে ভালো।
খাবার গৌরনদীর দই
Gournadi doiগৌরনদীর ঘন মিষ্টি দই, ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের পাশে মাটির হাঁড়িতে বিক্রি হয়।
প্রতীকী ছবি খাবার মলিদা
Molidaচালের গুঁড়া, দুধ, নারকেল, আদা আর আখের গুড়ে বানানো ঘন, ঠান্ডা ইফতারের শরবত। বরিশালের পুরোনো চল।
ঐতিহ্য
কোথায় থাকবেন
সব জেলার হোটেল ভাড়া দেখুন →- সাধারণ হোটেল
- ৳৮০০–২,৫০০
- ভালো হোটেল
- ৳২,৫০০–৬,০০০
- অভিজাত রিসোর্ট
- ৳৬,০০০–১৫,০০০
দামগুলো কোথা থেকে
ডেইলি স্টার (নভেম্বর ২০২৪): বরিশাল শহরের হোটেল এরিনা, গ্র্যান্ড পার্ক, রোদেলা, এথেনা ইন্টারন্যাশনাল, সেডোনার মতো হোটেলে এসি-নন-এসি আর সুবিধাভেদে রাতে ৫০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা; কোন স্তরে কত, সেই ভাগটা আনুমানিক।
দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।
কোথায় খাবেন, খরচ কত
এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।
এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৮০০–৩,৮৫০
কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।
রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (১টি)
- দধি ঘর গির্জা মহল্লা, বরিশাল শহর
- দই, চিড়া, মিষ্টি মুড়ি, ঘোল বা মাখনের বাটি (৫০-১০০ টাকা) · ৳৫০/বাটি
সাধারণ হোটেল ২০২৫ সালের দাম · সূত্র
চেখে দেখুন
- বরিশালের ইলিশ বরিশাল শহরের মাছবাজার আর নদীর পাড়ের হোটেলে আকার আর মৌসুমভেদে দাম ওঠানামা করে, কেজিপ্রতি মোটামুটি ৯০০–২০০০ টাকা
- গৌরনদীর দই গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডের মিষ্টির দোকানে প্রতি হাঁড়ি মোটামুটি ২০০–৩৫০ টাকা
- মলিদা রমজানে বরিশালের বাড়িতে, আর বরিশাল শহরের ঐতিহ্যবাহী খাবারের মেলায়; দোকানে কম মেলে, তাই স্থানীয়দের জিজ্ঞেস করুন
দামগুলো কোথা থেকে
এটা আন্দাজ। বরিশালের খাবারের তারিখসহ দাম পাওয়া যায়নি, তাই খুলনা, মাদারীপুর আর পটুয়াখালীর মতো কাছের শহরের হিসাব ধরা হয়েছে। ২০২৫ সালের ডেইলি স্টারের একটা লেখায় শুধু বলা আছে, ভাসমান পেয়ারা বাজারের কাছে খাবারের দাম নাগালের মধ্যে।
দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।



