ExploreBangladesh
English
ছবি: Abdul Momin · CC BY-SA 4.0

হবিগঞ্জের দুই রকম চেহারা। পুবদিকে নিচু টিলায় চা বাগান, আর দেশের সেরা পাহাড়ি বনের যেটুকু টিকে আছে তার কিছুটা। পশ্চিমে বানিয়াচংকে ঘিরে বিশাল হাওর। বনে হাঁটতে বা পাখি দেখতে চাইলে শ্রীমঙ্গলের চেয়ে এখানে ভিড় অনেক কম।

কীসের জন্য বিখ্যাত
  • সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান
  • রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্য
  • চা বাগান
  • বানিয়াচংয়ের হাওর
  • তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ

ঘোরার জায়গা

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ঘোরার জায়গা

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান

Satchari National Park

সাত ছড়ার নামে নাম, ক্রান্তীয় পাহাড়ি বন। উল্লুক, চশমাপরা হনুমান আর নানা বনের পাখির বাস।

রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ঘোরার জায়গা

রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য

Rema-Kalenga Wildlife Sanctuary

দেশে টিকে থাকা সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক পাহাড়ি বনগুলোর একটা। দুর্গম, আর বন্যপ্রাণীতে ভরা।

তেলিয়াপাড়া চা বাগান ও স্মৃতিসৌধ ঘোরার জায়গা

তেলিয়াপাড়া চা বাগান ও স্মৃতিসৌধ

Teliapara Tea Estate and Liberation War Memorial

এই চা বাগানে বসেই ১৯৭১ সালে সেনানায়কেরা মুক্তিযুদ্ধের পরিকল্পনা করেছিলেন। স্মৃতিসৌধটা দেখতে বুলেটের মতো।

বানিয়াচং ও সাগর দিঘিপ্রতীকী ছবি ঘোরার জায়গা

বানিয়াচং ও সাগর দিঘি

Baniachong and Sagar Dighi

হাওরের কিনারে বিশাল পুরোনো গ্রাম। এখানকার মস্ত দিঘিটার সঙ্গে জড়িয়ে আছে রানি কমলার কিংবদন্তি।

শংকরপাশা শাহী মসজিদ (উচাইল মসজিদ) ঘোরার জায়গা

শংকরপাশা শাহী মসজিদ (উচাইল মসজিদ)

Shankarpasha Shahi Mosque (Uchail Mosque)

সুলতানি আমলের ছোট ইটের মসজিদ, ১৫০০ সালের আশপাশে বানানো। মাথায় একটা বড় গম্বুজ, বারান্দায় তিনটা ছোট।

খাবার

অচেনা জায়গা

ঐতিহ্য

আনুমানিক রুমপ্রতি এক রাতের ভাড়া
সাধারণ হোটেল
৳৮০০–২,০০০
ভালো হোটেল
৳২,০০০–৫,০০০
অভিজাত রিসোর্ট
৳১১,৫০০–২০,০০০

এই জেলার দামের সীমাটা আশপাশের জেলা দেখে আনুমানিক ধরা। নিচে কোনো হোটেলের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।

দামগুলো কোথা থেকে

দামি স্তর বাহুবলের দ্য প্যালেস লাক্সারি রিসোর্ট থেকে, ২০১৯ সালে প্রথম আলোর খবরে যার সবচেয়ে কম ভাড়ার রুম ছিল ভ্যাট ছাড়া ১১,৫০০ টাকা (ভিলা ১৮,৫০০ থেকে); প্রথম আলোর মে ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে সিলেট অঞ্চলের পাঁচ তারকা রিসোর্ট ৮–২০ হাজার টাকার বেশি। হবিগঞ্জ শহরের সস্তা আর মাঝারি হোটেলের ভাড়া আনুমানিক।

দাম নেওয়া হয়েছে সংবাদপত্র, পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট আর হোটেলের নিজেদের দেওয়া তথ্য থেকে। বুক করার আগে হোটেলে ফোন করে দামটা জেনে নিন।

কোথায় খাবেন, খরচ কত

আনুমানিক জনপ্রতি দিনে খাওয়ার খরচ
সাধারণ হোটেল ৳৩৬০
নাশতা ৳৬০দুপুর ৳১২০রাত ৳১৩০চা‑নাশতা ৳৫০
ভালো রেস্টুরেন্ট ৳৭১০
নাশতা ৳১২০দুপুর ৳২৩০রাত ৳২৬০চা‑নাশতা ৳১০০
অভিজাত তথ্য নেই

এই জেলার খাওয়ার খরচ আশপাশের জেলার দাম দেখে আন্দাজ করা। নিচে কোনো রেস্টুরেন্টের নাম থাকলে, তার দাম আলাদা সূত্র থেকে নেওয়া।

এই জেলায় দিনে জনপ্রতি থাকা‑খাওয়া মিলিয়ে মোটামুটি ৳৭৫০–৩,২০০

কম দামটা সাধারণ হোটেল আর সাধারণ খাওয়া ধরে, বেশিটা ভালো হোটেল আর ভালো রেস্টুরেন্ট ধরে। দুজন এক রুমে থাকবেন ধরে জনপ্রতি রুম ভাড়ার অর্ধেক যোগ করেছি। যাতায়াত, টিকিট আর অভিজাত হোটেল‑রেস্টুরেন্টের খরচ এর বাইরে।

রেস্টুরেন্ট আর খাবারের দাম (১টি)
  • আদি গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডার বাণিজ্যিক এলাকা, হবিগঞ্জ শহর
    • রসগোল্লা (কেজিতে ১২-১৩টা) · ৳৩০০/কেজি
    সাধারণ হোটেল ২০২৩ সালের দাম · সূত্র

চেখে দেখুন

  • হবিগঞ্জের রসগোল্লা হবিগঞ্জ শহরের পুরোনো মিষ্টির দোকানে, যেমন আদি গোপাল কেজি আনুমানিক ২৫০–৪০০ টাকা
  • হাওরের মাছ হবিগঞ্জ শহর আর বানিয়াচং বাজারের ভাতের হোটেলে
দামগুলো কোথা থেকে

এই জেলার আলাদা কোনো খাবারের দামের জরিপ পাইনি। সস্তা হোটেলের হিসাব ঢাকার বাইরের ভাতের হোটেলের খবর থেকে (মাছ বা মাংস দিয়ে ভাত ৮০-১৫০ টাকা, ভাত-ভর্তা-ডালের নাশতা ২০-৫০ টাকা, ২০২৩-২০২৬), আর মাঝারি হিসাব শহরের ভালো রেস্তোরাঁ বা চেইন দোকানের দাম দেখে।

দাম সংবাদপত্র আর রেস্টুরেন্টের নিজস্ব তথ্য থেকে; সময়ের সঙ্গে বদলায়।

কাছের জেলা