ExploreBangladesh
English
ঘোরার জায়গা

তাড়াশ ভবন

Taras Bhaban

পাবনা শহরের মাঝখানে তাড়াশের জমিদারদের শহুরে প্রাসাদ, সামনে থামওয়ালা জমকালো প্রবেশপথ।

এক নজরে

কোথায়
পাবনা জেলা, রাজশাহী বিভাগ
ঢাকা থেকে
পাবনা পর্যন্ত প্রায় ২০৫ কিলোমিটার, বাসে বা গাড়িতে ৫–৭ ঘণ্টা
ভালো সময়
শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি), হেমন্ত (অক্টোবর–নভেম্বর) আর বসন্ত (ফেব্রুয়ারি–মার্চ)
ঘুরতে লাগে
মোটামুটি ১ ঘণ্টা

সময় আর খরচ আমাদের প্ল্যানার আর সংগ্রহ করা দামের হিসাব। যাওয়ার আগে একবার মিলিয়ে নিন।

তাড়াশ ভবন

তাড়াশ ভবন, যাকে তাড়াশ রাজবাড়িও বলে, ব্রিটিশ আমলে পাবনা শহরে বানিয়েছিলেন তাড়াশের জমিদার রায়বাহাদুর বনমালী রায়। গড়ন ইউরোপীয় রেনেসাঁর ধাঁচে। সামনে বড় প্রবেশপথ, দুই পাশে জোড়া জোড়া উঁচু থাম, দেয়ালে নকশা। মূল ভবন প্রায় ১০০ ফুট লম্বা, ৬০ ফুট চওড়া। নানা সময়ে এখানে সরকারি অফিস বসেছে, কিছুদিন পাবনা মেডিকেল কলেজও চলেছে। ১৯৯৮ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর একে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি ঘোষণা করে।

কীভাবে যাবেন

পাবনা শহরের মাঝখানেই। হেঁটে বা রিকশায় চলে যান।

জেনে রাখুন

অনেক সময় শুধু বাইরে থেকেই দেখা যায়। শহরের জোড় বাংলা মন্দির আর সুচিত্রা সেনের বাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে ঘুরে নিন।

সাধারণ কিছু প্রশ্ন

তাড়াশ ভবন কোথায়?

তাড়াশ ভবন পাবনা জেলায়, রাজশাহী বিভাগে। ঢাকা থেকে পাবনা সড়কপথে প্রায় ২০৫ কিলোমিটার।

ঢাকা থেকে তাড়াশ ভবন কীভাবে যাবেন?

আগে পাবনা পৌঁছান, ঢাকা থেকে বাসে বা গাড়িতে মোটামুটি ৫–৭ ঘণ্টা। এরপর: পাবনা শহরের মাঝখানেই। হেঁটে বা রিকশায় চলে যান।

তাড়াশ ভবন যাওয়ার ভালো সময় কখন?

যাওয়ার ভালো সময় শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি), হেমন্ত (অক্টোবর–নভেম্বর) আর বসন্ত (ফেব্রুয়ারি–মার্চ)। ঘুরে দেখতে মোটামুটি ১ ঘণ্টা লাগে।