হরিশচন্দ্রের পাঠ
Harishchandra's Path
জলঢাকার এক কিংবদন্তিঘেরা ঢিবি। লোকে বলে, রাজা হরিশচন্দ্র এখানে শিবমন্দির বানানো শুরু করেছিলেন, শেষ করে যেতে পারেননি।
এক নজরে
- কোথায়
- নীলফামারী জেলা, রংপুর বিভাগ
- ঢাকা থেকে
- নীলফামারী পর্যন্ত প্রায় ৩৫৫ কিলোমিটার, বাসে বা গাড়িতে ৯–১২ ঘণ্টা
- ভালো সময়
- শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি), হেমন্ত (অক্টোবর–নভেম্বর) আর বসন্ত (ফেব্রুয়ারি–মার্চ)
- ঘুরতে লাগে
- মোটামুটি ১ ঘণ্টা
সময় আর খরচ আমাদের প্ল্যানার আর সংগ্রহ করা দামের হিসাব। যাওয়ার আগে একবার মিলিয়ে নিন।
প্রতীকী ছবি: ছবিটা নীলফামারী জেলার, ঠিক এই জায়গার নয়। আপনার তোলা ছবি আছে? আমাদের জানান →
ভিডিওতে দেখুন জায়গাটা
জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নে হরিশচন্দ্রের পাঠ, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষিত পুরাকীর্তি। নাম এসেছে রাজা হরিশচন্দ্রের নামে, এ অঞ্চলে যিনি দানবীর রাজা হিসেবে পরিচিত। তাঁর মেয়েদের সঙ্গে রাজা গোপীচন্দ্রের বিয়ে নিয়ে এখানে অনেক পালাগান আর যাত্রাপালা আছে। জায়গাটা এখন নিচু একটা মাটির ঢিবির মতো, চারপাশে পুরোনো ইট‑পাথর ছড়ানো। লোকমুখে শোনা যায়, এটা সেই শিবমন্দির যার কাজ রাজার মৃত্যুতে থেমে গিয়েছিল। গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করেন, এখান থেকে একটা ইটও নিয়ে যাওয়া ঠিক না। কাছের শিবমন্দিরে বছরে তিনটা উৎসব হয়, তখন বেশ ভিড় জমে।
কীভাবে যাবেন
নীলফামারী শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে জলঢাকা। সেখান থেকে অটোতে খুটামারা ইউনিয়নের হরিশচন্দ্র পাঠ গ্রাম।
জেনে রাখুন
কোনো ইট‑পাথর তুলে আনবেন না। স্থানীয় বিশ্বাসের প্রতি সম্মান তো আছেই, তা ছাড়া এটা সংরক্ষিত জায়গা। একই উপজেলায় ধর্মপালের গড়ও আছে।
সাধারণ কিছু প্রশ্ন
হরিশচন্দ্রের পাঠ কোথায়?
হরিশচন্দ্রের পাঠ নীলফামারী জেলায়, রংপুর বিভাগে। ঢাকা থেকে নীলফামারী সড়কপথে প্রায় ৩৫৫ কিলোমিটার।
ঢাকা থেকে হরিশচন্দ্রের পাঠ কীভাবে যাবেন?
আগে নীলফামারী পৌঁছান, ঢাকা থেকে বাসে বা গাড়িতে মোটামুটি ৯–১২ ঘণ্টা। এরপর: নীলফামারী শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে জলঢাকা। সেখান থেকে অটোতে খুটামারা ইউনিয়নের হরিশচন্দ্র পাঠ গ্রাম।
হরিশচন্দ্রের পাঠ যাওয়ার ভালো সময় কখন?
যাওয়ার ভালো সময় শীত (ডিসেম্বর–জানুয়ারি), হেমন্ত (অক্টোবর–নভেম্বর) আর বসন্ত (ফেব্রুয়ারি–মার্চ)। ঘুরে দেখতে মোটামুটি ১ ঘণ্টা লাগে।
