শ্রীপুর জমিদারবাড়ি
Sreepur Zamindar Bari
শ্রীপুরে এক জমিদারবাড়ির ভেঙে পড়া সিংহদরজা। এলাকার লোকজন বলে, রবীন্দ্রনাথের ‘বৌঠাকুরানীর হাট’-এর গল্প এই বাড়ি ঘিরেই।
প্রতীকী ছবি: ছবিটা মাগুরা জেলার, ঠিক এই জায়গার নয়। ছবি: Lamia02 · CC BY-SA 4.0 আপনার তোলা ছবি আছে? আমাদের জানান →
মাগুরা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে শ্রীপুর। উপজেলা সদর থেকে আরও এক কিলোমিটার উত্তরে, শ্রীপুর মহিলা কলেজের সীমানা দেয়ালের পাশেই জমিদারবাড়ির ধ্বংসাবশেষ। স্থানীয়দের কথায়, শারদারঞ্জন পাল চৌধুরী নবাব আলীবর্দী খাঁর কাছ থেকে এই জমিদারি কিনেছিলেন। তাঁর মেয়ের বিয়ে হয় যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্যের ছেলে উদয়াদিত্যের সঙ্গে। এখানকার মানুষ বিশ্বাস করে, ‘বৌঠাকুরানীর হাট’ লেখার সময় রবীন্দ্রনাথের মাথায় এই কাহিনিই ছিল। এখন টিকে আছে মূলত পাহারাদারদের ঘরসহ খিলানওয়ালা বড় ফটকটা আর কয়েকটা দেয়াল। সরকার কখনো বাড়িটা অধিগ্রহণ করেনি, অযত্নে পড়ে আছে।
কীভাবে যাবেন
মাগুরা শহর থেকে বাস বা সিএনজিতে শ্রীপুর, প্রায় ১৫ কিলোমিটার। সেখান থেকে হেঁটে বা রিকশায় শ্রীপুর মহিলা কলেজের দিকে।
জেনে রাখুন
কাঠামোটা নড়বড়ে, বাইরে থেকে দেখুন, ওপরে উঠবেন না। মহিলা কলেজের পাশের ‘জমিদারবাড়ি’ বললে লোকজন দেখিয়ে দেবে।

