ExploreBangladesh
English
ঘোরার জায়গা

রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি

Raja Tonkonath's Palace, Ranisankail

মালদুয়ার জমিদারির শেষ রাজার ভাঙাচোরা রাজবাড়ি। তাঁর রানির নামেই রাণীশংকৈলের নাম।

টংকনাথের বাবা বুদ্ধিনাথ ছিলেন মন্দিরের সেবায়েত, পরে জমিদারির মালিক হন। বিশ শতকের শুরুতে টংকনাথ চৌধুরী মালদুয়ার স্টেট গড়ে তোলেন। ইংরেজ সরকার তাঁকে সম্মাননা দেয়, পরে তিনি রাজা উপাধি পান। তাঁর স্ত্রী রানি শংকরী দেবীর নামে জায়গার নাম হয় রাণীশংকৈল। দেশভাগের আগে রাজপরিবার ভারতে চলে যায়, তারপর থেকে রাজবাড়িটা ক্ষয়ে যাচ্ছে। অর্ধেক ভাঙা অবস্থাতেও এর সামনের অংশ আর ঘরগুলো দেখে বোঝা যায় একসময় কত জমকালো ছিল। ঠাকুরগাঁওয়ে বেড়াতে এলে লোকজন এখানে আসেনই।

কীভাবে যাবেন

ঠাকুরগাঁও থেকে বাসে রাণীশংকৈল, প্রায় ৪০ কিলোমিটার। সেখান থেকে অটোতে বাচোর ইউনিয়নে, পুরোনো ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পাশেই রাজবাড়ি।

জেনে রাখুন

দালানের কিছু অংশ ঝুঁকিপূর্ণ। দেয়ালে বা ওপরতলায় উঠবেন না। একই উপজেলায় খুনিয়া দিঘি বধ্যভূমিও আছে।